ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং উত্তর।

 


ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং উত্তর।

কিভাবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভোটার আইডি কার্ড বা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন তা নিয়ে বিস্তারিত একটি আর্টিকেল আমাদের ব্লগে রয়েছে প্রয়োজন হলে দেখতে পারেন। তাহলে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর দেখে নিন।

প্রশ্নঃ ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশােধন করা যায়?
উত্তরঃ একটি ভোটার কার্ড বার বার সংশােধন করা যাবেনা একটি কার্ড মাত্র এক বার আপনি সংশােধন করতে পারবেন। তবে আপনার সংশোধনের কারণ যুক্তিযুক্ত না হলে কোন রকম সংশােধন হবে না।

প্রশ্নঃ আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ ভুল হয়ছে আপনার কাছে কোন দলিল নেই, কিভাবে সংশােধন করবেন?
উত্তরঃ আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ ঠিক না থাকলে আর যদি আপনার কাছে কোন দলিল না থাকে তাহলে এটা সংশােধন করার জন্য আপনার নিকটস্থ থানা বা জেলা নির্বাচন কমিশনের অফিসে আপনাকে আবেদন করতে হবে। তাঁরা আপনাকে সবকিছু বুঝিয়ে দিবে।

প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ আপনার যদি ভোটার আইডি কার্ডের স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চান তাহলে অবশ্যই করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে নতুন সাক্ষর এর নমুনা এবং গ্রহণযোগ্য কারণ সহ আবেদন করতে হবে। আর মাত্র একবারই পরিবর্তন করতে পারবেন আপনার ভোটার আইডি কার্ডের সাক্ষর।

প্রশ্নঃ ভোটার আইডি কার্ডের বয়স বা জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার উপায় কি?

উত্তরঃ জন্ম তারিখ বা বয়স পরিবর্তনের জন্য আপনি এখন যে তারিখ দিতে চাচ্ছেন সে তারিখ আপনার SSC এবং HSC সার্টিফিকেট অনুযায়ী হলে আপনি আবেদন করতে পারবেন এ ক্ষেত্রে আপনার সকল সার্টিফিকেট এবং জন্ম নিবন্ধন সহ আবেদন করার সময় সাবমিট করতে হবে।

প্রশ্ন: আমার ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেছে, কিভাবে আমি আমার NID উদ্ধার করতে পারি?

উওর: আমাদের সকল মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস হচ্ছে জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড। এখন যদি আমরা ভোটার আইডি কার্ডটি হারিয়ে ফেলি বা কোনো ভাবে নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আমাদেকে নানা রকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। তাই আমাদের সবার উচিত ভোটার আইডি কার্ড টি খুব যত্ন সহকারে সেইফে রেখে দেওয়া। এসবের পরেও যদি আপনার আইডি কার্ডটি হারিয়ে যায় তাহলে নিম্নের ধাপ গুলো ফলো করে আপনি আপনার আইডি কার্ডটি সংগ্রহ করতে পারবেন খুব সহজেই। আপনার ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে, প্রথমে আপনার নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। এরপর এই ডায়েরী (জিডি) স্কেন কপি আপলোড করে অনলাইনে আইডি কার্ডের রিইস্যুর আবেদন করতে হবে। আবেদন অনুমোদন হওয়ার সাথে সাথেই অনলাইন থেকেই ভোটার আইডি কার্ড/জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রশ্নঃ Bangladeshe ভোটার হওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র লাগে এবং কত দিনের মধ্যে ভোটার স্মার্ট আইডি কার্ড হাতে পাওয়া যায়?

উওরঃ আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী আপনার পরিচিত, জন্ম নিবন্ধন, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, স্টুডেন্ট হলে এসএসসি এইচএসসি সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট এবং আপনার উপস্থিতি আর কিছুই লাগবে না। আমি ২০১৪ সালে ভোটার নিবন্ধন করে ২০১৬ সালের প্রথম দিকে স্মার্ট এন আইডি কার্ড পেয়ে গেছিলাম কিন্তু এখন সর্বোচ্চ ২১ থেকে ৩০ দিনের মধ্যেই আপনার স্মার্ট এন আইডি কার্ড অনলাইন কপি পেয়ে যাবেন বলে আশা করি, তবে ঢাকার শহরের বাইরে হলে অনেক সময় লাগবে।

প্রশ্নঃ ভোটার নিবন্ধনের কতদিন পর NID কার্ডের অনলাইন কপি পাওয়া যায়? এবং কিভাবে অনলাইন কপি পেতে পারি?

উওরঃ ভোটার নিবন্ধন এর ২০/২৫ দিনপর আপনি আপনার মোবাইলে মাধ্যমে উপরের ভোটার আইডি কার্ড চেক করার ধাপসমূহ ফলো করে এনআইডির কপি পেয়ে যাবেন, এবং হার্ডকপি আসতে একটু সময় লাগবে এবং সেটাও মোবাইল ম্যাসেজে জানিয়ে দিবে। বা আপনি আপনার নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করলে পেয়ে যাবেন।

প্রশ্নঃ আমি এখনও ভোটার হইনি। আমি যদি এখন নতুন ভোটার হওযার জন্য আবেদন করি, তাহলে কতদিন পরে ভোটার আইডি কার্ড আমার হাতে পাব?

উওরঃ ভোটার আইডি কার্ড হাতে পেতে অনেক সময় লাগবে তবে অনলাইনে আবেদন করে জমা এবং ছবি তোলা ফিন্গার দিয়ে আসার ২০ দিন পর আপনার মোবাইল থেকে উপরের দেওয়া ধাপ গুলো অনুসরন করে ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনে চেক করলে পেয়ে যাবেন।

প্রশ্নঃ ভোটার আইডি কার্ড বানানোর জন্য ছবি তুলে এবং প্রয়োজনীয় সব কিছু দেবার পর, ভোটার আইডি কার্ড পেতে কতদিন সময় লাগে?

উওরঃ ২০-৩০ সময় লাগবে এবং কিন্তু এটি অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে আর পাওয়ার জন্য একটু সময় লাগবে আপনি আপনার নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করলে তারা বলে দিবে।

প্রশ্নঃ আমি এখন বিদেশে চলে যাব। আমার কার্ড কি অন্য কেউ উত্তোলন করতে পারবে?

উত্তরঃ না উওলন করতে পারবেন না। তবে অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রশ্নঃ আমার ভোটার কার্ডে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দিলে কি হবে?

উত্তরঃ জেল বা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

প্রশ্ন: আইডি কার্ড/জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৩ আবার কারো ১৭ কেন?

উত্তরঃ ২০০৮ এর পরে যত আইডি কার্ড প্রিন্ট করা হচ্ছে বা পুণঃ তৈরি হচ্ছে সে সকল কার্ডের নম্বর ১৭ ডিজিট হয়ে থাকে।

প্রশ্নঃ আমার বিভিন্ন দলিলে বা কাগজপত্রে আমার বিভিন্ন বয়স/নাম আছে। কোনটা ভোটার রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?

উত্তরঃ আপনার এসএসসি অথবা এইচএসসি পরীক্ষার সনদে উল্লেখিত বয়স ও নাম। এবং ভবিষ্যতে ৫ম/৮ম সমাপনী পরীক্ষার সনদ ও গ্রহণযোগ্য হবে। লেখাপড়া না জানা থাকলে জন্ম সনদ, এবং পাসপোর্ট, । ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে ও আবেদন করা যাবে।

প্রশ্নঃ fingerprint বা আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে কি ডুপ্লিকেট এন্ট্রি সনাক্ত করা সম্ভব?

উত্তরঃ হ্যাঁ, অবশ্যই সনাক্ত করা সম্ভব।

প্রশ্নঃ একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে কি একাধিক নামে ও বয়সে একাধিক এন আইডি কার্ড পাওয়া সম্ভব?

উত্তরঃ না। একজন একটি মাত্র কার্ড করতে পারবেন। আপনার তথ্য গোপন করে একাধিক স্থানে ভোটার হলে কেন্দ্রীয় সার্ভারে আঙুলের ছাপ দ্বারা তা ধরা পড়বে এবং অবশ্যই তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

প্রশ্নঃ আমি নতুন ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে কি কি কাগজপত্রাদি প্রয়োজন হবে?

উত্তরঃ আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ, এস.এস.সি বা এইচএসসি পরীক্ষা পাসের সনদ (যদি থাকে), আপনার ঠিকানা প্রমাণের জন্য কোন ইউটিলিটি বিলের কপি, নাগরিক সনদ, বাবা-মা এবং বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, টিআইএন (TIN) নম্বর (যদি থাকে)।

Contact for any need: www.facebook.com/raktimghosh720

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url